YouTube to MP3: প্রিয় গান আর কথা সঙ্গে রাখুন সবসময়
লিংক পেস্ট করুন, বিটরেট বেছে নিন, আর পছন্দের গান, আলোচনা বা পডকাস্ট রেখে দিন নিজের ডিভাইসে।
- পাঁচটি MP3 বিটরেট
- ফ্রি, সাইন-আপ ছাড়াই
- ফোন ও কম্পিউটারে চলে
YouTube-এর অডিও MP3 হিসেবে সেভ করার নিয়ম
মাত্র তিনটি সহজ ধাপ, কোনো অ্যাকাউন্ট লাগে না।
-
ভিডিওর লিংক কপি করুন
YouTube অ্যাপে Share চেপে Copy link দিন, অথবা ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বার থেকে লিংকটা কপি করুন।
-
পেস্ট করে খুঁজুন
এই পেজের উপরের বক্সে লিংক পেস্ট করে বাটনে চাপ দিন, টাইটেল, দৈর্ঘ্য আর MP3 অপশনগুলো দেখতে পাবেন।
-
বিটরেট বেছে সেভ করুন
320, 256, 192, 128 বা 64 kbps-এ চাপ দিন। ফাইল নতুন ট্যাবে খুললে Download বা Save as দিয়ে ডিভাইসে রেখে দিন।
YouTube ভিডিওকে MP3 বানাবেন যেভাবে
অনেক সময় ছবির কোনো দরকারই হয় না। হয়তো এমন একটা গান যেটা বারবার শোনেন, এমন রান্নার অনুষ্ঠান যেটা মূলত কানেই শোনেন, কিংবা পারিবারিক আড্ডায় দাদুর গল্প বলার একটা রেকর্ডিং। এই YouTube ডাউনলোডার দিয়ে শুধু আওয়াজটুকু MP3 হিসেবে নিয়ে নিতে পারবেন, তাই ফোনে সহজে রাখা যায়, গাড়িতে চালানো যায়, আর পুরো ভিডিওর মতো স্টোরেজও খেয়ে ফেলে না।
উপরের বক্সে লিংক পেস্ট করে বাটনে চাপ দিন। টুলটি সঙ্গে সঙ্গে ভিডিওটি খুঁজে এনে তার টাইটেল, দৈর্ঘ্য আর অডিওর অপশনগুলো দেখাবে। সাধারণ watch লিংক, ছোট youtu.be লিংক, Shorts, মোবাইল লিংক আর YouTube Music লিংক সবই চলে, তাই যে অ্যাপ বা ব্রাউজারই ব্যবহার করুন না কেন, সেখান থেকে কপি করলেই হবে।
একটা বিটরেট বেছে নিলে MP3 নতুন ট্যাবে খুলবে। ফোনে এটা হয়তো সোজা বাজতে শুরু করবে; এটা স্বাভাবিক। ব্রাউজারের মেনু খুলুন বা লং-প্রেস করে Download বা Save বেছে নিন। কম্পিউটারে ফাইলটা হয় সরাসরি ডাউনলোড হবে, নয়তো বাজবে; তখন রাইট-ক্লিক করে Save as দিলেই চিরদিনের জন্য রেখে দিতে পারবেন।
কোন MP3 বিটরেটের মানে কী
সংখ্যা যত বেশি, আওয়াজ তত ভরাট আর ফাইলও তত বড়। তাই কী শুনছেন আর কোথায় শুনছেন, সেটাই আসল ব্যাপার।
-
320 kbps
পাঁচটির মধ্যে সবচেয়ে ভরাট আওয়াজ আর সবচেয়ে বড় ফাইল। ভালো হেডফোন বা বাড়ির স্পিকারে গান শোনার জন্য দারুণ।
-
256 kbps
বেশিরভাগ মানুষের কানে প্রায় 320-এর মতোই, ফাইলটা একটু ছোট। গানের সংগ্রহের জন্য আরামদায়ক মাঝামাঝি পছন্দ।
-
192 kbps
ইয়ারবাডে বা গাড়িতে রোজকার শোনার জন্য পরিষ্কার, মনোরম আওয়াজ। ফাইলের সাইজ মাঝারি থাকে।
-
128 kbps
ছোট ফাইল, তবু সাধারণ গান, পডকাস্ট আর ইন্টারভিউয়ের জন্য শুনতে ঠিকঠাক। ফোনের মেমোরি প্রায় ভরে গেলে খুব কাজের।
-
64 kbps
সবচেয়ে ছোট অপশন, কথা শোনার জন্য বানানো। লেকচার, ধর্মীয় বয়ান আর লম্বা আলোচনা সহজে বোঝা যায়, জায়গাও লাগে খুব কম।
ঠিক বুঝতে পারছেন না? একটা নিয়ে শুনে দেখুন। চাইলে পরে এসে আরেকটা বিটরেটেও সেভ করতে পারবেন।
MP3 ফাইল শেয়ার করা আর শোনা
MP3 এমন একটা ফরম্যাট যেটা প্রায় সব ডিভাইসই চেনে, তাই অন্যকে পাঠানোও সহজ।
-
পরিবারকে পাঠান
বিয়ের প্লেলিস্টের কোনো গানের ছোট ক্লিপ বা রেকর্ড করা জন্মদিনের শুভেচ্ছা বেশিরভাগ চ্যাট অ্যাপ আর ইমেইলে সহজেই পাঠানো যায়, বিশেষ করে কম বিটরেটে।
-
গাড়িতে চালান
MP3 ফাইলগুলো USB স্টিকে কপি করুন বা ফোন থেকে Bluetooth দিয়ে চালান, যাতে নেটওয়ার্ক না থাকলেও লম্বা যাত্রায় গান না থামে।
-
গানের সংগ্রহে রাখুন
Android, iPhone, Windows আর Mac-এর বেশিরভাগ মিউজিক প্লেয়ার MP3 ফাইল আপনার আগের গানগুলোর সঙ্গে লাইব্রেরি বা প্লেলিস্টে যোগ করতে পারে।
-
অন্য কাজের ফাঁকে শুনুন
এটা শুধু অডিও, তাই স্ক্রিন বন্ধ থাকলেও ফোনে বাজতে থাকে। হাঁটা, ব্যায়াম বা ঘরের কাজের সময় দারুণ।
-
নির্মাতাকে সম্মান করুন
শুধু সেই অডিও সেভ করুন যেটা আপনার নিজের, পাবলিক ডোমেইনে আছে, যার পুনর্ব্যবহারের লাইসেন্স আছে, বা রাখার অনুমতি পেয়েছেন, আর সেটা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্যই রাখুন।
YouTube to MP3 নিয়ে প্রশ্নোত্তর
320 kbps নিলে কি গানটা YouTube-এর চেয়েও ভালো শোনাবে?
আসলে না। ভিডিওটা যে মানের অডিও নিয়ে আপলোড হয়েছে, MP3 তার চেয়ে ভালো হতে পারে না। বেশি বিটরেট মূল আওয়াজের বেশিটা ধরে রাখে, কিন্তু যে খুঁটিনাটি আগে ছিলই না, সেটা যোগ করতে পারে না।
পডকাস্ট আর আলোচনার জন্য কোন বিটরেট ভালো?
কথার জন্য বেশি কিছু লাগে না, তাই 64 বা 128 kbps সাধারণত একদম পরিষ্কার শোনায়। অনেক জায়গা বাঁচবে, যেটা লম্বা এপিসোড বা পুরো লেকচার সিরিজ রাখলে খুব কাজে লাগে।
দুই ঘণ্টার পডকাস্টের মতো লম্বা ভিডিও কি MP3 করা যাবে?
হ্যাঁ। দৈর্ঘ্যের কোনো সীমা নেই, তাই লম্বা এপিসোড, কনসার্ট আর অডিওবুক ছোট ক্লিপের মতোই কাজ করে। কম বিটরেট বেছে নিলে ফাইল ছোট থাকে।
এই YouTube ডাউনলোডার কি YouTube Music লিংকেও চলে?
চলে। YouTube Music থেকে কোনো গানের শেয়ার লিংক কপি করে পেস্ট করুন। লিংকটা যদি প্লেলিস্টের হয়, তাহলে শুধু ওই লিংকের একটা গানই সেভ হবে।
MP3 ডাউনলোড না হয়ে বাজতে শুরু করল কেন?
অনেক ফোনের ব্রাউজার অডিও ফাইল খুললেই বাজাতে শুরু করে। তিন-ডটের মেনুতে চেপে Download বেছে নিন, অথবা প্লেয়ারে লং-প্রেস করে Download বা Save দিন। Instagram বা Facebook-এর মতো কোনো অ্যাপের ভেতর থেকে এই পেজ খুলে থাকলে আগে Chrome বা Safari-তে খুলে নিন।
গানের শুধু একটা অংশ রাখতে MP3 কেটে নেওয়া যায়?
টুলটি ভিডিওর পুরো অডিওটাই সেভ করে। শুধু কোরাস বা ছোট একটা অংশ চাইলে, যেমন রিংটোনের জন্য, সেভ করা MP3 আপনার ডিভাইসের যেকোনো অডিও এডিটর বা ট্রিমিং অ্যাপে খুলে কেটে নিন।
প্রিয় আওয়াজগুলো সঙ্গে নিতে তৈরি?
উপরে একটা YouTube লিংক পেস্ট করুন, মানানসই বিটরেট বেছে নিন, ব্যস, আপনার MP3 শোনা বা শেয়ার করার জন্য তৈরি।